চট্টগ্রামের হান্ডি আর ধাবা রেস্টুরেন্টের খাবারে

ভেজাল-মেশানো হয় অননুমোদিত রং

 

মোঃ সিরাজুল মনির,

চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান।

 

 

চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি এলাকার অন্যতম অভিজাত খাবার প্রতিষ্ঠান হাান্ডি আর ধাবা রেস্টুরেন্ট। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ আর মানসম্মত টাটকা খাবার খেতে এসব প্রতিষ্ঠানে ছুটে যান স্বাস্থ্য সচেতনরা। কিন্তু সুসজ্জিত এই রেস্টুরেন্টের রান্নাঘরের দৃশ্য আর পরিবেশন করা খাবার ভেতরের খবর জানলে চোখ কাপালে উঠবে যে কারো। যেন উপরে ফিটফাট ভেতরে সদরঘাট।

 

বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ভোক্তাধিকার চট্টগ্রামের অভিযানে ধরা পরে রেষ্টুরেন্ট দুইটির খাবারে ভেজাল ও অননুমোদিত কেমিক্যাল ও ক্ষতিকর সুগন্ধি আতর ব্যবহার, মটরে রং মেশানো, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ খাবার রান্না এবং ফ্রিজে ভাত মেশানো বাসি খাসির মাংস সংরক্ষণের দৃশ্য।

 

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের খাবার তৈরি, আগের ভাত মেশানো খাসির মাংস সংরক্ষণ, কয়েকদিন আগে রান্না করা বাসি মাছ মাংস, ভাত ও অন্যান্য খাবার পরিবেশ অভিযোগে “হাান্ডি” রেষ্টুরেন্টকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং খাবারে ক্ষতিকর সুগন্ধি আতর ব্যবহারের অভিযোগে “ধাবা” রেষ্টুরেন্টকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করে ভোক্তাধিকার।

 

অভিযানে নেতৃত্বে দেওয়া ভোক্তাধিকার চট্টগ্রামের উপ পরিচালক মোঃ ফয়েজ উল্লাহ বলেন, জরিমানার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান দুইটিকে ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক করা হয়েছে। তাদেরকে ভবিষ্যতে তদারকির আওতায় রাখায় এবং এমন অভিযান অব্যাহত রাখা হবে।

 

এমন নামকরা খাবার প্রতিষ্ঠানগুলোতে অস্বাস্থ্যকর ভেজাল খাবার পরিবেশ খুবই দুঃখজনক এবং চট্টগ্রামের অন্যান্য অভিজাত রেষ্টুরেন্টগুলোর অজানা ভেতরের দৃশ্য নিয়ে নতুনভাবে প্রশ্ন জেগেছে স্বাস্থ্য সচেতনদের মনে। সব খাবার প্রতিষ্ঠানগুলো ভোক্তাধিকারের নজরে রাখার আহবান তাদের।

 

নগরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে যে সকল আধুনিক রেস্টুরেন্ট রয়েছে সবগুলোতে প্রতিনিয়ত ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযান পরিচালনা করলে এ ধরনের ভেজাল এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সম্মিলিত রেস্টুরেন্ট গুলো সকলের নজরে আসবে বলে ভোক্তা সচেতন মহলের ধারণা। এসব অবৈধ ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করে উপযুক্ত শাস্তির আওতায় এনে রেস্টুরেন্ট গুলোকে স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেয়ার জন্য ভোক্তা অধিদপ্তরের প্রতি তারা আহ্বান জানান।

.fb-background-color { background: #496aee !important; } .fb_iframe_widget_fluid_desktop iframe { width: 320px !important; }