বিএনপির দুঃসময়ের সাহসী কণ্ঠস্বর এবং রাজপথের লড়াকু নেত্রী নাদিয়া পাঠান পাপন সংসদীয় সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য দলীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। আজ ১০ এপ্রিল বিকাল ৪টায় নয়াপল্টনস্থ বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে তিনি এই ফরম সংগ্রহ করেন। তিনি বর্তমানে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
রাজপথের সংগ্রাম ও দলীয় ত্যাগ:
মনোনয়নপত্র সংগ্রহের পর ব্রাহ্মণবাড়িয়া আসনের তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। স্থানীয় নেতা-কর্মীদের মতে, যখন মামলা-হামলার ভয়ে অনেকে রাজনীতির মাঠে নিষ্ক্রয় ছিলেন, তখন পুলিশের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে প্রত্যেকটি মিছিল-মিটিংয়ে সামনের সারি থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন নাদিয়া পাঠান পাপন। দলের প্রতি তার এই দীর্ঘদিনের ত্যাগ ও সাহসিকতার সঠিক মূল্যায়ন হলে তিনি সংরক্ষিত আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হবেন বলে তারা দৃঢ় আশাবাদী।
রাজনৈতিক প্রোফাইল:
নাদিয়া পাঠান পাপন ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা একজন দক্ষ সংগঠক। তার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে তিনি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন:
সাবেক সাধারণ সম্পাদক: বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ ছাত্রদল।
সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, কেন্দ্রীয় সংসদ।
বর্তমান দায়িত্ব: যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জিয়া স্মৃতি পাঠাগার কেন্দ্রীয় কমিটি এবং সদস্য, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি।
তৃণমূলের দাবিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া এলাকার সাধারণ নেতা-কর্মীদের দাবি, পাপনকে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মনোনীত করা হলে রাজপথের ত্যাগী কর্মীরা মূল্যায়িত হবেন। তারা মনে করেন, সংসদে দলের অবস্থান তুলে ধরতে এবং এলাকার উন্নয়নে তার মতো একজন উচ্চশিক্ষিত ও সাহসী নেত্রীর বিকল্প নেই।
মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের পর এক সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় নাদিয়া পাঠান পাপন বলেন:
“দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশনায় আমি রাজপথে ছিলাম এবং আছি। দেশ ও দলের কল্যাণে কাজ করার সুযোগ চাইলে আমি দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করছি। আমি আমার এলাকার নেতা-কর্মীসহ দেশবাসীর কাছে দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।”