| ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শিরোনামঃ

মেহেরপুর জেলা ছাত্রদল এর সাবেক দপ্তর সম্পাদক মাহফুজুর রহমান এর অর্থায়ন

মেহেরপুর জেলা ছাত্রদল এর সাবেক দপ্তর সম্পাদক মাহফুজুর রহমান এর অর্থায়ন
৭২

মেহেরপুর জেলা ছাত্রদল এর সাবেক দপ্তর সম্পাদক মাহফুজুর রহমান এর অর্থায়নে মুজিবনগর উপজেলার, বাগোয়ান গ্রামের, ১৫ বছর বয়সী ছেলের ব্রেন টিউমার হয়েছে, রুগির নাম: মোঃ বিপ্লব মীর
রুগির বাবার মৃতঃ আব্দুল কাদের, রুগির অপারেশন এর জন্য ১লক্ষ টাকা সহায়তা করা হয় রুগির চাচা মুংলার হাতে টাকাটা প্রদান করেন মেহেরপুর জেলা ছাত্রদল এর সভাপতি আকিব জাভেদ সেনজির মেহেরপুর জেলা ছাত্রদল এর সাবেক যুগ্ম সম্পাদক তোফিকুল ইসলাম মিঠন মেহেরপুর জেলা সাইবার দল এর সাধারণ সম্পাদক বাগোয়ান ইউনিয়ন ছাত্রদল এর সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মোঃ রিয়াজ সেখ

Facebook Notice for EU! You need to login to view and post FB Comments!

ঢাকা-১৬ আসনের ফলাফল স্থগিত ও পুনঃনির্বাচনের দাবি আমিনুল হকের

মেহেরপুর জেলা ছাত্রদল এর সাবেক দপ্তর সম্পাদক মাহফুজুর রহমান এর অর্থায়ন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৬ (সংসদীয় আসন ১৮৯) আসনের নির্বাচনী ফলাফল স্থগিত এবং বিতর্কিত কেন্দ্রগুলোতে পুনঃনির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন ওই আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো. আমিনুল হক।

শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) তিনি বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে রিটার্নিং অফিসার বরাবর একটি লিখিত আবেদন জমা দেন। আবেদনে তিনি নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলে ফলাফল স্থগিত রেখে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠনের আহ্বান জানান।

আবেদনপত্রে আমিনুল হক উল্লেখ করেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (RPO), ১৯৭২ এবং নির্বাচনী আচরণবিধির গুরুতর লঙ্ঘন হয়েছে। তিনি দাবি করেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পক্ষে ভোটের আগের রাতে অর্থ বিতরণের ভিডিও প্রমাণ রয়েছে এবং তার পোলিং এজেন্টদের ভয়ভীতি দেখিয়ে বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, অন্তত ৪০টির বেশি কেন্দ্রে পোলিং এজেন্টদের স্বাক্ষর ছাড়াই ফলাফল শিট প্রস্তুত করা হয়েছে এবং অনেক ক্ষেত্রে ভোট গণনার আগেই ফলাফল শিটে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ভোটারদের কেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়া, ভোট শুরুর আগেই সীল মারা ব্যালট বই পাওয়া এবং নির্দিষ্ট কেন্দ্রগুলোতে ফলাফলে অসংগতি থাকার মতো গুরুতর অভিযোগও তিনি উত্থাপন করেন।

আবেদনে বলা হয়, ১ থেকে ২৯ নম্বর কেন্দ্র পর্যন্ত ঘোষিত ভোটের ফলাফলের সঙ্গে প্রিজাইডিং অফিসারদের সরবরাহকৃত তথ্য এবং পোস্টাল ভোটের পরিসংখ্যানে উল্লেখযোগ্য গরমিল রয়েছে। সংবিধানের ১১৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হলেও এক্ষেত্রে তার ব্যত্যয় ঘটেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এর আগে সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কাছে অভিযোগ জানানো হলেও কোনো প্রতিকার পাননি উল্লেখ করে আমিনুল হক আরপিও-এর ৯১এ ধারা অনুযায়ী ফলাফল স্থগিত, পুনঃনির্বাচন এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, নির্বাচন কমিশন বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

Facebook Notice for EU! You need to login to view and post FB Comments!

আওয়ামী লীগের দোসরদের সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনি মাঠে জামায়াত, কুড়িগ্রাম-৩ আসনে সমালোচনার ঝড়

মেহেরপুর জেলা ছাত্রদল এর সাবেক দপ্তর সম্পাদক মাহফুজুর রহমান এর অর্থায়ন

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম-৩ (উলিপুর) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আওয়ামী লীগের দোসরদের সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছে—এমন অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন উলিপুর উপজেলার ধরনী বাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব এরশাদুল হক। জানা গেছে, তিনি উলিপুর উপজেলা বাংলাদেশ কৃষক লীগের একজন সদস্য। স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়, আওয়ামী লীগ সরকারের বিদায়ের পর তিনি একাধিকবার বিভিন্ন মাধ্যমে ও আর্থিক প্রলোভনের মাধ্যমে বিএনপিতে যোগদানের চেষ্টা চালান। তবে বিএনপি নেতাকর্মীরা তাকে প্রত্যাখ্যান করলে সে চেষ্টা ব্যর্থ হয়।

পরবর্তীতে তিনি আওয়ামী লীগের বিভিন্ন ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে জামায়াতে ইসলামের নির্বাচনি প্রচারণায় দাড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে কাজ শুরু করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও সমালোচনা ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় বিএনপি নেতারা বলছেন, আওয়ামী লীগের দোসরদের সঙ্গে নিয়ে জামায়াতের এমন রাজনৈতিক তৎপরতা প্রশ্নবিদ্ধ এবং এতে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে। একইসঙ্গে তারা এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে জামায়াতকে সরে আসার আহ্বান জানান।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য জানা না গেলেও, ঘটনাটি এলাকাজুড়ে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

Facebook Notice for EU! You need to login to view and post FB Comments!

আসন্ন নির্বাচনে বিএনপিকে ‘ফেভারিট’ বলল দ্য ইকোনমিস্ট

মেহেরপুর জেলা ছাত্রদল এর সাবেক দপ্তর সম্পাদক মাহফুজুর রহমান এর অর্থায়ন

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম দ্য ইকোনমিস্ট বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে (বিএনপি) আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে ‘ফেভারিট’ বা সম্ভাব্য বিজয়ী হিসেবে অভিহিত করেছে।

 

যুক্তরাজ্যভিত্তিক এই সাপ্তাহিক সাময়িকী ‘দ্য নিউ বাংলাদেশ ইজ অনলি হাফ বিল্ট’ শিরোনামে এক আর্টিকেলে বলেছে, ‘জয়ের জন্য বিএনপি ফেভারিট’।

 

এতে উল্লেখ করা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে থাকা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বর্তমানে তার ছেলে তারেক রহমানের নেতৃত্বে রয়েছে।

বিশ্লেষণে বলা হয়, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত; ২০০৮ সালের পর বাংলাদেশে প্রথম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোট হচ্ছে।

কয়েক মাস ধরে পর্যবেক্ষকরা আশঙ্কা করেছিলেন, সহিংসতা ছড়িয়ে পড়বে। এখন পর্যন্ত তাদের আশঙ্কা ভুল প্রমাণিত হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, প্রতিদ্বন্দ্বিতা মূলত দুটি দীর্ঘদিনের প্রতিষ্ঠিত দলের মধ্যে হবে, উভয় দলকেই আগের সরকার নিপীড়ন করেছে।

 

আর্টিকেলে জামায়াতে ইসলামীকে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উল্লেখ করে এটিকে বাংলাদেশের ‘সবচেয়ে বড় ও মধ্যপন্থী ইসলামপন্থী দল’ হিসেবে অভিহিত করেছে।

তবে বিএনপিকে ‘ফেভারিট দল’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

দ্য ইকোনমিস্ট মন্তব্য করেছে, বাংলাদেশ কেবল তখনই সমৃদ্ধ হবে যদি দেশটি সংস্কারের প্রতি তার উদ্দীপনা বজায় রাখে এবং এতে ‘যে-ই জিতুক না কেন, অনেক কাজ করতে হবে। ’

 

বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, দক্ষিণ এশীয় এই দেশের সবচেয়ে বেশি জরুরি বিষয় হলো অর্থনীতি।

 

এতে বলা হয়েছে, নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার অর্থনীতিকে ‘বিপর্যয় থেকে রক্ষা করেছে’, তবে বড় পরিবর্তন প্রয়োজন।

এ বছর দেশটি বাণিজ্য ও রেয়াতি ঋণের সুবিধা ভোগকারী স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বেরিয়ে আসবে।

 

বিশ্লেষণে বলা হয়, দেশটির কারখানাগুলোকে আরও দক্ষতাসম্পন্ন করতে হবে। সরকারি রাজস্ব বাড়াতে হবে, যা বর্তমানে জিডিপির ৭ শতাংশ, অথচ এশিয়াজুড়ে তা ২০ শতাংশ। এছাড়া লাল ফিতার দৌরাত্ম দূর করতে হবে এবং যারা ব্যবসাকে জিম্মি করে রাখে- এমন দুর্নীতিগ্রস্ত আমলাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

 

দ্য ইকোনমিস্ট বলেছে, ‘ভারতের সঙ্গে সম্পর্কও গুরুত্বপূর্ণ।

গণমাধ্যমটি পর্যবেক্ষণ করেছে, ভারতীয় কর্মকর্তারা যখন ‘ভুলভাবে বাংলাদেশকে হিন্দু বিরোধী’ হিসেবে চিত্রিত করে, তখন বাংলাদেশিরা ক্ষুব্ধ হন।

এতে লেখা হয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো দেশের অভ্যন্তরে রাজনৈতিক সংস্কার পুনর্গঠন করা। দ্য ইকোনমিস্ট বলেছে, ‘নির্বাচন একটি মাইলফলকের সূচনা, নতুন বাংলাদেশ গড়ার কঠিন কাজ কেবল শুরু হয়েছে।

Facebook Notice for EU! You need to login to view and post FB Comments!