| ১৪ মে ২০২৬
শিরোনামঃ

রাষ্ট্রপতি স্বীকার করেছিলেন হাসিনার পদত্যাগপত্র সামনাসামনি পাওয়ার কথা : জামায়াত আমির

রাষ্ট্রপতি স্বীকার করেছিলেন হাসিনার পদত্যাগপত্র সামনাসামনি পাওয়ার কথা : জামায়াত আমির
৫৮

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্র পাওয়ার বিষয়টি রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু সরাসরি স্বীকার করেছিলেন বলে জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বুধবার (১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদ থেকে ওয়াকআউটের পর এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই তথ্য জানান।

সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন এবং গণভোটের দাবিতে কোনো সুনির্দিষ্ট আশ্বাস না পাওয়া এবং বিরোধী দলের প্রস্তাবটি পাশ কাটিয়ে অন্য প্রস্তাব আনার প্রতিবাদে এদিন সংসদ কক্ষ ত্যাগ করেন ১১ দলের সংসদ সদস্যরা। এরপর আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ডা. শফিকুর রহমান ৫ আগস্টের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, ‘গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার সীমাহীন ত্যাগের বিনিময়ে যে পরিবর্তন এসেছে, তার পরবর্তী সাংবিধানিক শূন্যতা নিরসনে আমরা বঙ্গভবনে বসেছিলাম।  প্রেসিডেন্ট স্পষ্টভাবে বলেছিলেন যে, তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগপত্র পেয়েছেন। আমরা জিজ্ঞেস করেছিলাম, আপনি মঞ্জুর করেছেন? তিনি বলেছেন, মঞ্জুর করেছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আমরা চেয়েছিলাম বাংলাদেশ দ্রুত নিয়মতান্ত্রিক এবং গণতান্ত্রিক শাসনের দিকে ফিরে আসুক।’

জামায়াত আমির আরও উল্লেখ করেন যে, সেই সময় তারা দ্রুত নিয়মতান্ত্রিক ও গণতান্ত্রিক শাসনে ফেরার পরামর্শ দিয়েছিলেন এবং আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী তরুণ সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনার তাগিদ দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার সংস্কারের জন্য ছয়টি কমিশন গঠন করেছিল এবং তারা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রতিবেদনও জমা দিয়েছে। কিন্তু বর্তমান সংবিধান ব্যবহার করে দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছর যে ফ্যাসিবাদ চালানো হয়েছে, তা নিরসনে জনগণের রায় বা গণভোটের দাবিটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিরোধীদলীয় নেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোটের বিষয়ে একটি প্রেসিডেন্সিয়াল অর্ডার থাকলেও সরকার সেটি আগে বাস্তবায়ন করতে চাইছে না। তিনি বলেন, ‘যেহেতু সংসদের ভেতর জনগণের ন্যায্য দাবির সম্মান করা হচ্ছে না, তাই আমরা জনগণের কাছে ফিরে যাব। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কীভাবে গণভোটের রায় আদায় করা যায়, বিরোধী দল এখন সেই পথেই হাঁটবে।’

সংবাদ সম্মেলনে তিনি ঘোষণা দেন যে, গণভোট ও সংবিধান সংস্কারের দাবিতে সংসদের পাশাপাশি রাজপথেও বিরোধী দল সরব থাকবে। খুব দ্রুতই সমমনা দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও জানান তিনি।

মেহেরপুরে বৈষম্যহীন সমাজ ও নারী অধিকার নিশ্চিতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

রাষ্ট্রপতি স্বীকার করেছিলেন হাসিনার পদত্যাগপত্র সামনাসামনি পাওয়ার কথা : জামায়াত আমির

মেহেরপুরে ‘বৈষম্যহীন সমাজ ও নারীর অধিকার নিশ্চিতকরণ’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে এক বর্ণাঢ্য আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নারী শান্তি বিষয়ক প্ল্যাটফর্ম ‘ওয়েব’ (WEP), মেহেরপুর জেলা শাখার উদ্যোগে এই সভার আয়োজন করা হয়।

শনিবার সকালে মেহেরপুর শহরের একটি স্থানীয় মিলনায়তনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেহেরপুর পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি “জনাব জাহাঙ্গীর বিশ্বাস”

 

অনুষ্ঠানে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে জাহাঙ্গীর বিশ্বাস বলেন:
“একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠনে বৈষম্যহীন সমাজ ব্যবস্থার কোনো বিকল্প নেই। বিশেষ করে সমাজের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারীকে পেছনে রেখে উন্নয়ন সম্ভব নয়। আমাদের ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ অক্ষুণ্ণ রেখে নারীর অধিকার এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে নারীদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় এ ধরনের প্ল্যাটফর্মের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আলোচনা সভায় বক্তারা মেহেরপুর জেলায় নারী শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং পারিবারিক সহিংসতা রোধে বিভিন্ন প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। ‘ওয়েব’ প্ল্যাটফর্মের স্থানীয় প্রতিনিধিরা জানান, তারা জেলায় নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য দূর করতে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় একযোগে কাজ করে যাচ্ছেন।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, নারী নেত্রী এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। সভার শেষে সমাজের সকল স্তরে নারীর মর্যাদা ও অধিকার রক্ষার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।

৮নং ধামশ্রেনী ইউপি নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদে আলোচনার শীর্ষে এস.এম নাইমুর রহমান গফ্ফার

রাষ্ট্রপতি স্বীকার করেছিলেন হাসিনার পদত্যাগপত্র সামনাসামনি পাওয়ার কথা : জামায়াত আমির

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার ৮নং ধামশ্রেনী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে প্রাণচাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। এ নির্বাচনে আলোচনার শীর্ষে উঠে এসেছেন ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম আবু-বক্কর সিদ্দিকের সুযোগ্য পুত্র এস.এম নাইমুর রহমান (গফ্ফার)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে এলাকায় তাকে নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের মধ্যে তাকে ঘিরে আগ্রহ ও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে তার সম্ভাব্য প্রার্থিতা নিয়ে এলাকাজুড়ে এক ধরনের চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অনেকেই তাকে নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসেবে দেখছেন। তরুণদের একটি বড় অংশ মনে করছেন, নতুন নেতৃত্ব এলে এলাকায় উন্নয়নের নতুন ধারা সৃষ্টি হতে পারে। তবে কিছু ভোটারের মধ্যে তার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রশ্নও রয়েছে, যা নির্বাচনী মাঠে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।

এ বিষয়ে এস.এম নাইমুর রহমান (গফ্ফার) “দৈনিক বাংলার চিত্র”-কে জানান, তিনি জনগণের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সমর্থন পেলে ধামশ্রেনী ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করতে চান। তিনি বিশেষ গুরুত্ব দিতে চান তরুণ সমাজকে নিয়ে গঠনমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনায়।

তিনি আরও বলেন, “আমার বাবা একজন জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধি ছিলেন। তিনি সবসময় এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থেকেছেন। তার সেই আদর্শকে ধারণ করেই আমি মানুষের জন্য কাজ করতে চাই।”

এদিকে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়ায় ৮নং ধামশ্রেনী ইউনিয়নের রাজনৈতিক পরিবেশ ধীরে ধীরে সরগরম হয়ে উঠছে। স্থানীয়দের মতে, নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসবে, ততই প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও প্রচারণা বাড়বে, যা শেষ পর্যন্ত একটি প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনে রূপ নিতে পারে।

সর্বশেষ পরিস্থিতিতে বলা যায়, ৮নং ধামশ্রেনী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে রাজনৈতিক উত্তাপ তৈরি হয়েছে, সেখানে এস.এম নাইমুর রহমান (গফ্ফার) একটি আলোচিত নাম হিসেবে ইতোমধ্যে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন। এখন দেখার বিষয়, শেষ পর্যন্ত তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী হন কিনা এবং হলে ভোটারদের আস্থা কতটা অর্জন করতে পারেন।

মেহেরপুরে বোমা সদৃশ বস্তু ও চিরকুট উদ্ধার

রাষ্ট্রপতি স্বীকার করেছিলেন হাসিনার পদত্যাগপত্র সামনাসামনি পাওয়ার কথা : জামায়াত আমির

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় একটি বোমা সদৃশ বস্তু ও রহস্যজনক চিরকুট উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রবিবার সকালে উপজেলার চর গোয়াল গ্রামের মাথাভাঙ্গা নদীর তীরে এ ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয়রা জানান, সকালে নদীর পাড়ে একটি পরিত্যক্ত বস্তু দেখতে পেয়ে তাদের সন্দেহ হয়। পরে কাছে গিয়ে সেটি বোমা সদৃশ মনে হলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়।

তাৎক্ষণিকভাবে গাংনী থানা পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে বোমা সদৃশ বস্তুটি ও একটি চিরকুট উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। চিরকুটে কী লেখা ছিল, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানায়নি পুলিশ।

 

গাংনী থানার ওসি (তদন্ত) আল মামুন বলেন, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়।

একটি বোমা সদৃশ বস্তু ও চিরকুট উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।

Facebook Notice for EU! You need to login to view and post FB Comments!