| ১৪ মে ২০২৬
শিরোনামঃ

বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠক

স্বৈরাচারের দোসর অপসারণের পর পৃথক সচিবালয় গঠনে মত

স্বৈরাচারের দোসর অপসারণের পর পৃথক সচিবালয় গঠনে মত
৭৩

বিচার বিভাগ থেকে স্বৈরাচারের দোসরদের অপসারণের পর পৃথক সচিবালয় গঠনের পক্ষে মত ব্যক্ত করেছেন বিএনপিদলীয় সংসদ

সদস্যরা। তাঁদের মতে, এ মুহূর্তে বিচার বিভাগের পৃথক সচিবালয় গঠন করা হলে ভয়ংকর ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের আমলে নিয়োগ দেওয়া দলকানা ব্যক্তিদের সরানো কঠিন হয়ে পড়বে। ফলে তাঁদের মাধ্যমে দেশবাসী কখনো নিরপেক্ষ বিচার পাবে না। সর্বস্তরের মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

গতকাল বিকালে জাতীয় সংসদের নবম তলায় সরকারি দলের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠকে সংসদ সদস্যরা এমন মতামত ব্যক্ত করেন। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ও চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বক্তব্য দেন। বৈঠক সংশ্লিষ্ট একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সংসদীয় দলের বৈঠকে উপস্থিত সদস্যদের উদ্দেশ করে পরিষ্কার ভাষায় বলা হয়েছে, এ সরকার যেমন স্বৈরাচার হতে চায় না, তেমনি কেউ সরকারের হাত-পা বেঁধে ফেলুক এটিও করতে দেওয়া হবে না।

দুর্নীতি দমন কমিশনসহ এ ধরনের বিভিন্ন স্পর্শকাতর প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট নিয়োগ-সংক্রান্ত কমিটিই দায়িত্ব পালন করবে। এতে অন্য কেউ হস্তক্ষেপ করবে না। বৈঠকে বলা হয়, সংসদে যেসব আইন পাস হয়েছে এবং হচ্ছে, সে আইনগুলো এবং তার সংশোধনীগুলো নিয়ে একটি পক্ষ পরিকল্পিতভাবে জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। সে অপচেষ্টাগুলোর বিরুদ্ধে সঠিক তথ্য-উপাত্তের মাধ্যমে জবাব দিতে হবে।

এজন্য সরকারদলীয় এমপিদের এসব আইন সম্পর্কে ভালোভাবে জেনেশুনে সংসদে বক্তব্য রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে জনগণের মধ্যে এসব অধ্যাদেশ তথা আইনগুলো সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা দিয়ে জনমনের বিভ্রান্তি দূর করতে হবে। সংসদের ভিতরে এবং বাইরে উভয় ক্ষেত্রেই প্রয়োজনে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আইন মন্ত্রণালয় জনগণকে পরিষ্কার ধারণা দেবে। জানা যায়, জুলাই গণ অভ্যুত্থানকে যে বিএনপি সরকার মনেপ্রাণে ধারণ করে এ বিষয়টি জনগণের সামনে সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরতে হবে। যাতে এ নিয়ে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে যেসব বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে, সেগুলো যাতে জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে না পারে।

এ ব্যাপারে সব সদস্যকে সজাগ থাকার আহ্বান জানানো হয়। এ ছাড়া ত্রয়োদশ সংসদে নতুন সদস্য, বিশেষ করে বিরোধী দলের বেশির ভাগ এমপির রুলস অব প্রসিডিউরের বাইরে রাজপথের জনসভার মতো বক্তব্য রাখছেন বলে উপস্থিত অনেকে মতামত দেন।

মেহেরপুরে বৈষম্যহীন সমাজ ও নারী অধিকার নিশ্চিতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

স্বৈরাচারের দোসর অপসারণের পর পৃথক সচিবালয় গঠনে মত

মেহেরপুরে ‘বৈষম্যহীন সমাজ ও নারীর অধিকার নিশ্চিতকরণ’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে এক বর্ণাঢ্য আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নারী শান্তি বিষয়ক প্ল্যাটফর্ম ‘ওয়েব’ (WEP), মেহেরপুর জেলা শাখার উদ্যোগে এই সভার আয়োজন করা হয়।

শনিবার সকালে মেহেরপুর শহরের একটি স্থানীয় মিলনায়তনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেহেরপুর পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি “জনাব জাহাঙ্গীর বিশ্বাস”

 

অনুষ্ঠানে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে জাহাঙ্গীর বিশ্বাস বলেন:
“একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠনে বৈষম্যহীন সমাজ ব্যবস্থার কোনো বিকল্প নেই। বিশেষ করে সমাজের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারীকে পেছনে রেখে উন্নয়ন সম্ভব নয়। আমাদের ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ অক্ষুণ্ণ রেখে নারীর অধিকার এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে নারীদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় এ ধরনের প্ল্যাটফর্মের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আলোচনা সভায় বক্তারা মেহেরপুর জেলায় নারী শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং পারিবারিক সহিংসতা রোধে বিভিন্ন প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। ‘ওয়েব’ প্ল্যাটফর্মের স্থানীয় প্রতিনিধিরা জানান, তারা জেলায় নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য দূর করতে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় একযোগে কাজ করে যাচ্ছেন।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, নারী নেত্রী এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। সভার শেষে সমাজের সকল স্তরে নারীর মর্যাদা ও অধিকার রক্ষার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।

৮নং ধামশ্রেনী ইউপি নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদে আলোচনার শীর্ষে এস.এম নাইমুর রহমান গফ্ফার

স্বৈরাচারের দোসর অপসারণের পর পৃথক সচিবালয় গঠনে মত

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার ৮নং ধামশ্রেনী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে প্রাণচাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। এ নির্বাচনে আলোচনার শীর্ষে উঠে এসেছেন ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম আবু-বক্কর সিদ্দিকের সুযোগ্য পুত্র এস.এম নাইমুর রহমান (গফ্ফার)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে এলাকায় তাকে নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের মধ্যে তাকে ঘিরে আগ্রহ ও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে তার সম্ভাব্য প্রার্থিতা নিয়ে এলাকাজুড়ে এক ধরনের চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অনেকেই তাকে নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসেবে দেখছেন। তরুণদের একটি বড় অংশ মনে করছেন, নতুন নেতৃত্ব এলে এলাকায় উন্নয়নের নতুন ধারা সৃষ্টি হতে পারে। তবে কিছু ভোটারের মধ্যে তার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রশ্নও রয়েছে, যা নির্বাচনী মাঠে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।

এ বিষয়ে এস.এম নাইমুর রহমান (গফ্ফার) “দৈনিক বাংলার চিত্র”-কে জানান, তিনি জনগণের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সমর্থন পেলে ধামশ্রেনী ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করতে চান। তিনি বিশেষ গুরুত্ব দিতে চান তরুণ সমাজকে নিয়ে গঠনমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনায়।

তিনি আরও বলেন, “আমার বাবা একজন জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধি ছিলেন। তিনি সবসময় এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থেকেছেন। তার সেই আদর্শকে ধারণ করেই আমি মানুষের জন্য কাজ করতে চাই।”

এদিকে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়ায় ৮নং ধামশ্রেনী ইউনিয়নের রাজনৈতিক পরিবেশ ধীরে ধীরে সরগরম হয়ে উঠছে। স্থানীয়দের মতে, নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসবে, ততই প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও প্রচারণা বাড়বে, যা শেষ পর্যন্ত একটি প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনে রূপ নিতে পারে।

সর্বশেষ পরিস্থিতিতে বলা যায়, ৮নং ধামশ্রেনী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে রাজনৈতিক উত্তাপ তৈরি হয়েছে, সেখানে এস.এম নাইমুর রহমান (গফ্ফার) একটি আলোচিত নাম হিসেবে ইতোমধ্যে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন। এখন দেখার বিষয়, শেষ পর্যন্ত তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী হন কিনা এবং হলে ভোটারদের আস্থা কতটা অর্জন করতে পারেন।

মেহেরপুরে বোমা সদৃশ বস্তু ও চিরকুট উদ্ধার

স্বৈরাচারের দোসর অপসারণের পর পৃথক সচিবালয় গঠনে মত

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় একটি বোমা সদৃশ বস্তু ও রহস্যজনক চিরকুট উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রবিবার সকালে উপজেলার চর গোয়াল গ্রামের মাথাভাঙ্গা নদীর তীরে এ ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয়রা জানান, সকালে নদীর পাড়ে একটি পরিত্যক্ত বস্তু দেখতে পেয়ে তাদের সন্দেহ হয়। পরে কাছে গিয়ে সেটি বোমা সদৃশ মনে হলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়।

তাৎক্ষণিকভাবে গাংনী থানা পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে বোমা সদৃশ বস্তুটি ও একটি চিরকুট উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। চিরকুটে কী লেখা ছিল, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানায়নি পুলিশ।

 

গাংনী থানার ওসি (তদন্ত) আল মামুন বলেন, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়।

একটি বোমা সদৃশ বস্তু ও চিরকুট উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।