| ১৪ মে ২০২৬
শিরোনামঃ

সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১২৫ বার পেছাল

সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১২৫ বার পেছাল
৫২

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় আরো একবার পেছাল । এ নিয়ে প্রতিবেদন দাখিলের দিন ১২৫ বার পেছাল। গতকাল বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৭ মে দিন ধার্য করেছেন । এদিকে, গতকাল আদালতের নির্দেশে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত প্রতিবেদন দিতে না পারার ব্যাখ্যা দিয়েছেন । এর আগে, গত ৯ ফেব্রুয়ারি প্রতিবেদন না দেওয়ায় তদন্তকর্তাকে ব্যাখা দিতে নির্দেশ দিয়েছিল আদালত।

গতকাল ধার্য তারিখে তদন্ত প্রতিবেদন না দিতে পারার ব্যাখা দিতে সশরীরে আদালতে হাজির হন তদন্তকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজিজুল হক। তদন্ত কর্মকর্তা আদালতকে দুই পাতার লিখিত ব্যাখা দিয়েছেন। ব্যাখ্যায় তিনি বলেছেন, এ মামলা নিয়ে যে টাস্কফোর্স গঠন হয়েছে, সেই টাস্কফোর্সে তদন্ত কর্মকর্তা ছাড়াও আরো সদস্য আছেন। সে কারণে প্রতিবেদন দিতে একটু বিলম্ব হচ্ছে, আগামী ধার্য তারিখে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা আদালতকে বলেছেন তদন্ত কর্মকর্তা।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনিকে হত্যা করা হয়। নিহত রুনির ভাই
নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় এ হত্যা মামলাটি দায়ের করেন । এ মামলার আসামিরা হলেন—রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুণ, আবু সাঈদ, সাগর-রুনির বাড়ির দুই নিরাপত্তারক্ষী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ এবং তাদের ‘বন্ধু’ তানভীর রহমান খান । এদের মধ্যে তানভীর জামিনে রয়েছেন । পলাশ রুদ্র পাল জামিনে গিয়ে পলাতক হয়েছেন। অপর আসামিরা কারাগারে রয়েছেন ।

প্রথমে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ঐ থানার এক উপ-পরিদর্শক (এসআই)। চারদিন পর চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করে রহস্য উদ্ঘাটনে ব্যর্থ হয় ডিবি। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে একই বছরের ১৮ এপ্রিল হত্যা মামলাটির তদন্তভার র‍্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয় । গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্তের দায়িত্ব থেকে র‍্যাবকে বাদ দিয়ে বিভিন্ন বাহিনীর অভিজ্ঞ তদন্ত কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠন করে এ তদন্ত কাজ শেষ করতে ছয় মাস বেধে দেয় হাইকোর্ট। এরপর ১৭ অক্টোবর হাইকোর্টের নির্দেশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে টাস্কফোর্স গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় । পিবিআই প্রধানকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের এই উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স কমিটি কাজ করছে।

মেহেরপুরে বৈষম্যহীন সমাজ ও নারী অধিকার নিশ্চিতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১২৫ বার পেছাল

মেহেরপুরে ‘বৈষম্যহীন সমাজ ও নারীর অধিকার নিশ্চিতকরণ’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে এক বর্ণাঢ্য আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নারী শান্তি বিষয়ক প্ল্যাটফর্ম ‘ওয়েব’ (WEP), মেহেরপুর জেলা শাখার উদ্যোগে এই সভার আয়োজন করা হয়।

শনিবার সকালে মেহেরপুর শহরের একটি স্থানীয় মিলনায়তনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেহেরপুর পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি “জনাব জাহাঙ্গীর বিশ্বাস”

 

অনুষ্ঠানে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে জাহাঙ্গীর বিশ্বাস বলেন:
“একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠনে বৈষম্যহীন সমাজ ব্যবস্থার কোনো বিকল্প নেই। বিশেষ করে সমাজের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারীকে পেছনে রেখে উন্নয়ন সম্ভব নয়। আমাদের ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ অক্ষুণ্ণ রেখে নারীর অধিকার এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে নারীদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় এ ধরনের প্ল্যাটফর্মের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আলোচনা সভায় বক্তারা মেহেরপুর জেলায় নারী শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং পারিবারিক সহিংসতা রোধে বিভিন্ন প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। ‘ওয়েব’ প্ল্যাটফর্মের স্থানীয় প্রতিনিধিরা জানান, তারা জেলায় নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য দূর করতে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় একযোগে কাজ করে যাচ্ছেন।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, নারী নেত্রী এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। সভার শেষে সমাজের সকল স্তরে নারীর মর্যাদা ও অধিকার রক্ষার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।

৮নং ধামশ্রেনী ইউপি নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদে আলোচনার শীর্ষে এস.এম নাইমুর রহমান গফ্ফার

সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১২৫ বার পেছাল

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার ৮নং ধামশ্রেনী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে প্রাণচাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। এ নির্বাচনে আলোচনার শীর্ষে উঠে এসেছেন ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম আবু-বক্কর সিদ্দিকের সুযোগ্য পুত্র এস.এম নাইমুর রহমান (গফ্ফার)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে এলাকায় তাকে নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের মধ্যে তাকে ঘিরে আগ্রহ ও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে তার সম্ভাব্য প্রার্থিতা নিয়ে এলাকাজুড়ে এক ধরনের চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অনেকেই তাকে নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসেবে দেখছেন। তরুণদের একটি বড় অংশ মনে করছেন, নতুন নেতৃত্ব এলে এলাকায় উন্নয়নের নতুন ধারা সৃষ্টি হতে পারে। তবে কিছু ভোটারের মধ্যে তার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রশ্নও রয়েছে, যা নির্বাচনী মাঠে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।

এ বিষয়ে এস.এম নাইমুর রহমান (গফ্ফার) “দৈনিক বাংলার চিত্র”-কে জানান, তিনি জনগণের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সমর্থন পেলে ধামশ্রেনী ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করতে চান। তিনি বিশেষ গুরুত্ব দিতে চান তরুণ সমাজকে নিয়ে গঠনমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনায়।

তিনি আরও বলেন, “আমার বাবা একজন জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধি ছিলেন। তিনি সবসময় এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থেকেছেন। তার সেই আদর্শকে ধারণ করেই আমি মানুষের জন্য কাজ করতে চাই।”

এদিকে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়ায় ৮নং ধামশ্রেনী ইউনিয়নের রাজনৈতিক পরিবেশ ধীরে ধীরে সরগরম হয়ে উঠছে। স্থানীয়দের মতে, নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসবে, ততই প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও প্রচারণা বাড়বে, যা শেষ পর্যন্ত একটি প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনে রূপ নিতে পারে।

সর্বশেষ পরিস্থিতিতে বলা যায়, ৮নং ধামশ্রেনী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে রাজনৈতিক উত্তাপ তৈরি হয়েছে, সেখানে এস.এম নাইমুর রহমান (গফ্ফার) একটি আলোচিত নাম হিসেবে ইতোমধ্যে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন। এখন দেখার বিষয়, শেষ পর্যন্ত তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী হন কিনা এবং হলে ভোটারদের আস্থা কতটা অর্জন করতে পারেন।

মেহেরপুরে বোমা সদৃশ বস্তু ও চিরকুট উদ্ধার

সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১২৫ বার পেছাল

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় একটি বোমা সদৃশ বস্তু ও রহস্যজনক চিরকুট উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রবিবার সকালে উপজেলার চর গোয়াল গ্রামের মাথাভাঙ্গা নদীর তীরে এ ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয়রা জানান, সকালে নদীর পাড়ে একটি পরিত্যক্ত বস্তু দেখতে পেয়ে তাদের সন্দেহ হয়। পরে কাছে গিয়ে সেটি বোমা সদৃশ মনে হলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়।

তাৎক্ষণিকভাবে গাংনী থানা পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে বোমা সদৃশ বস্তুটি ও একটি চিরকুট উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। চিরকুটে কী লেখা ছিল, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানায়নি পুলিশ।

 

গাংনী থানার ওসি (তদন্ত) আল মামুন বলেন, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়।

একটি বোমা সদৃশ বস্তু ও চিরকুট উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।