| ১৪ মে ২০২৬
শিরোনামঃ

ছাত্রদল থেকে মহানগর নেতৃত্ব—সংরক্ষিত নারী আসনে শক্ত প্রার্থী নাদিয়া পাঠান পাপন

ছাত্রদল থেকে মহানগর নেতৃত্ব—সংরক্ষিত নারী আসনে শক্ত প্রার্থী নাদিয়া পাঠান পাপন
৯৯

 

ভূমিধস বিজয়ের মধ্য দিয়ে সরকার গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে নবীন-প্রবীণের সমন্বয়ে ৪৯ সদস্যের মন্ত্রীসভা গঠন করেছেন।

 

সরকার গঠনের পরপরই সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি চূড়ান্ত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ত্যাগী, পরীক্ষিত ও আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় নেত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে আলোচনায় রয়েছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য নাদিয়া পাঠান পাপন।

 

ছাত্ররাজনীতি থেকে কেন্দ্রীয় রাজপথে সক্রিয়তাঃ

নাদিয়া পাঠান পাপন ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতিতে সক্রিয়। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল-এর একজন সাবেক নেত্রী হিসেবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক আন্দোলন, গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের কর্মসূচি এবং কেন্দ্রীয় ঘোষিত নানা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।

IMG 20260225 WA0027 ছাত্রদল থেকে মহানগর নেতৃত্ব—সংরক্ষিত নারী আসনে শক্ত প্রার্থী নাদিয়া পাঠান পাপন

২০০০ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার চান্দুরা ইউনিয়ন ছাত্রদলের মাধ্যমে তার রাজনৈতিক পথচলা শুরু। পরবর্তীতে ২০০৪ সালে তিনি বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ-এ যুক্ত হন এবং সেখানকার ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। সে সময় ক্যাম্পাসে হামলার শিকার হওয়ার ঘটনাও রয়েছে তার রাজনৈতিক জীবনে।

 

আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা ও নির্যাতনের অভিজ্ঞতাঃ

২০১৩ সালের মার্চে অবরোধ কর্মসূচিতে দলীয় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশের লাঠিচার্জ, রাবার বুলেট ও টিয়ার শেলের আক্রমণের শিকার হন তিনি। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনী প্রচারণায় কামরাঙ্গীরচরে হামলার অভিযোগও রয়েছে। ২০১৫ সালের নির্বাচনের দিন ভোটার স্লিপ বিতরণের সময়ও হামলার শিকার হন বলে তার ঘনিষ্ঠরা জানান।

IMG 20260224 WA0155 ছাত্রদল থেকে মহানগর নেতৃত্ব—সংরক্ষিত নারী আসনে শক্ত প্রার্থী নাদিয়া পাঠান পাপন

২০১৭ সালে আদালত থেকে ফেরার পথে দলীয় কর্মীদের সহায়তা করতে গিয়ে পুলিশি লাঠিচার্জের মুখে পড়েন তিনি। ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময় হামলা-মামলা ও হয়রানির অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সবশেষ ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই আন্দোলনের সময় রাবার বুলেটে আহত হওয়ার ঘটনাও আলোচিত হয় দলীয় মহলে।

 

বর্তমান সাংগঠনিক ভূমিকাঃ

বর্তমানে তিনি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। রাজধানীকেন্দ্রিক সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা, দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং নারীনেতৃত্ব বিকাশে তার সক্রিয় ভূমিকা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

20260225 063934 ছাত্রদল থেকে মহানগর নেতৃত্ব—সংরক্ষিত নারী আসনে শক্ত প্রার্থী নাদিয়া পাঠান পাপন

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, ছাত্ররাজনীতি থেকে শুরু করে দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের অভিজ্ঞতা তাকে সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য যোগ্য প্রার্থী হিসেবে সামনে এনেছে।

 

নাদিয়া পাঠান পাপনের বক্তব্যঃ

সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হওয়ার বিষয়ে নাদিয়া পাঠান পাপন বলেন, দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান-এর ১৯ দফা আদর্শ ধারণ করেই তিনি রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন। তিনি আরও বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর নেতৃত্বে কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন এবং দলের দুঃসময়ে রাজপথে ছিলেন।

IMG 20260224 WA0065 ছাত্রদল থেকে মহানগর নেতৃত্ব—সংরক্ষিত নারী আসনে শক্ত প্রার্থী নাদিয়া পাঠান পাপন

তার ভাষায়, “চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের সব আন্দোলন-সংগ্রামে মাঠে থেকেছি। সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হিসেবে কাজ করার সুযোগ চাই। মনোনয়ন পেলে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দেশের জন্য কাজ করবো—করবো কাজ, গড়বো দেশ; সবার আগে বাংলাদেশ।”

 

দলীয় মহলে জোরালো আলোচনাঃ

দলীয় বিভিন্ন পর্যায়ে সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেত্রীদের নাম আলোচনায় আসছে। এ ক্ষেত্রে ছাত্রদল ও মহিলা দলের সাবেক নেত্রীদের মধ্য থেকে কয়েকজন এগিয়ে থাকলেও নাদিয়া পাঠান পাপনের নাম ঘিরে আলোচনা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।

 

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয়তা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা—এই তিন বিষয়ই সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

মেহেরপুরে বৈষম্যহীন সমাজ ও নারী অধিকার নিশ্চিতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ছাত্রদল থেকে মহানগর নেতৃত্ব—সংরক্ষিত নারী আসনে শক্ত প্রার্থী নাদিয়া পাঠান পাপন

মেহেরপুরে ‘বৈষম্যহীন সমাজ ও নারীর অধিকার নিশ্চিতকরণ’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে এক বর্ণাঢ্য আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নারী শান্তি বিষয়ক প্ল্যাটফর্ম ‘ওয়েব’ (WEP), মেহেরপুর জেলা শাখার উদ্যোগে এই সভার আয়োজন করা হয়।

শনিবার সকালে মেহেরপুর শহরের একটি স্থানীয় মিলনায়তনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেহেরপুর পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি “জনাব জাহাঙ্গীর বিশ্বাস”

 

অনুষ্ঠানে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে জাহাঙ্গীর বিশ্বাস বলেন:
“একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠনে বৈষম্যহীন সমাজ ব্যবস্থার কোনো বিকল্প নেই। বিশেষ করে সমাজের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারীকে পেছনে রেখে উন্নয়ন সম্ভব নয়। আমাদের ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ অক্ষুণ্ণ রেখে নারীর অধিকার এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে নারীদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় এ ধরনের প্ল্যাটফর্মের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আলোচনা সভায় বক্তারা মেহেরপুর জেলায় নারী শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং পারিবারিক সহিংসতা রোধে বিভিন্ন প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। ‘ওয়েব’ প্ল্যাটফর্মের স্থানীয় প্রতিনিধিরা জানান, তারা জেলায় নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য দূর করতে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় একযোগে কাজ করে যাচ্ছেন।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, নারী নেত্রী এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। সভার শেষে সমাজের সকল স্তরে নারীর মর্যাদা ও অধিকার রক্ষার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।

৮নং ধামশ্রেনী ইউপি নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদে আলোচনার শীর্ষে এস.এম নাইমুর রহমান গফ্ফার

ছাত্রদল থেকে মহানগর নেতৃত্ব—সংরক্ষিত নারী আসনে শক্ত প্রার্থী নাদিয়া পাঠান পাপন

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার ৮নং ধামশ্রেনী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে প্রাণচাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। এ নির্বাচনে আলোচনার শীর্ষে উঠে এসেছেন ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম আবু-বক্কর সিদ্দিকের সুযোগ্য পুত্র এস.এম নাইমুর রহমান (গফ্ফার)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে এলাকায় তাকে নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের মধ্যে তাকে ঘিরে আগ্রহ ও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে তার সম্ভাব্য প্রার্থিতা নিয়ে এলাকাজুড়ে এক ধরনের চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অনেকেই তাকে নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসেবে দেখছেন। তরুণদের একটি বড় অংশ মনে করছেন, নতুন নেতৃত্ব এলে এলাকায় উন্নয়নের নতুন ধারা সৃষ্টি হতে পারে। তবে কিছু ভোটারের মধ্যে তার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রশ্নও রয়েছে, যা নির্বাচনী মাঠে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।

এ বিষয়ে এস.এম নাইমুর রহমান (গফ্ফার) “দৈনিক বাংলার চিত্র”-কে জানান, তিনি জনগণের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সমর্থন পেলে ধামশ্রেনী ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করতে চান। তিনি বিশেষ গুরুত্ব দিতে চান তরুণ সমাজকে নিয়ে গঠনমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনায়।

তিনি আরও বলেন, “আমার বাবা একজন জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধি ছিলেন। তিনি সবসময় এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থেকেছেন। তার সেই আদর্শকে ধারণ করেই আমি মানুষের জন্য কাজ করতে চাই।”

এদিকে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়ায় ৮নং ধামশ্রেনী ইউনিয়নের রাজনৈতিক পরিবেশ ধীরে ধীরে সরগরম হয়ে উঠছে। স্থানীয়দের মতে, নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসবে, ততই প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও প্রচারণা বাড়বে, যা শেষ পর্যন্ত একটি প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনে রূপ নিতে পারে।

সর্বশেষ পরিস্থিতিতে বলা যায়, ৮নং ধামশ্রেনী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে রাজনৈতিক উত্তাপ তৈরি হয়েছে, সেখানে এস.এম নাইমুর রহমান (গফ্ফার) একটি আলোচিত নাম হিসেবে ইতোমধ্যে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন। এখন দেখার বিষয়, শেষ পর্যন্ত তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী হন কিনা এবং হলে ভোটারদের আস্থা কতটা অর্জন করতে পারেন।

মেহেরপুরে বোমা সদৃশ বস্তু ও চিরকুট উদ্ধার

ছাত্রদল থেকে মহানগর নেতৃত্ব—সংরক্ষিত নারী আসনে শক্ত প্রার্থী নাদিয়া পাঠান পাপন

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় একটি বোমা সদৃশ বস্তু ও রহস্যজনক চিরকুট উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রবিবার সকালে উপজেলার চর গোয়াল গ্রামের মাথাভাঙ্গা নদীর তীরে এ ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয়রা জানান, সকালে নদীর পাড়ে একটি পরিত্যক্ত বস্তু দেখতে পেয়ে তাদের সন্দেহ হয়। পরে কাছে গিয়ে সেটি বোমা সদৃশ মনে হলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়।

তাৎক্ষণিকভাবে গাংনী থানা পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে বোমা সদৃশ বস্তুটি ও একটি চিরকুট উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। চিরকুটে কী লেখা ছিল, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানায়নি পুলিশ।

 

গাংনী থানার ওসি (তদন্ত) আল মামুন বলেন, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়।

একটি বোমা সদৃশ বস্তু ও চিরকুট উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।